বিনোদন

৬টা নয়, আমি ৬০০টা প্রেম করেছি-আরও করতে চাই

বিনোদন ডেস্ক : স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বরাবরই চর্চায় থাকেন, সে তাঁর কাজের জন্য হোক বা ব্যক্তিগত জীবন। সম্প্রতি তিনি বললেন ৬০০০ জনকে প্রেম বিতরণ করতে চান নায়িকা! ব্যাপার কী?

আসলে নায়িকা জানিয়েছিলেন ৬ বার তিনি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে এক শ্রেণীর মানুষ নানা চর্চা শুরু করেছিলেন। তাঁদের সেই চর্চাকে ব্যঙ্গ করেই ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন স্বস্তিকা।

তিনি ব্যঙ্গ করেই বলেন, ‘৬টা নয়, আমি ৬০০টা প্রেম করেছি, আগে ভুল বলেছি। ক্যাওড়াতলা যাওয়ার আগে আমি আরও একটা শূন্য এর সঙ্গে জুড়তে চাই। এটাই আমার জীবনের উদ্দেশ্য।

আমার জীবন, যদি আমার মনে হয় যে আমি ৬০০০ জন মানুষকে ভালোবাসা জ্ঞাপন করব, তাহলে বেশ করব। আমি তো বলছি না যে আমি ৬টা লোককে মারব, খুন করব, তাঁদের গলা চিরে রক্ত খাব বা তাঁদের ধর্ষণ করব, বা তাঁদের সঙ্গে জালিয়াতি করব বা তাঁদেরকে কাজ করিয়ে পয়সা দেব না বা তাঁদের কাজ কেড়ে নেব।

আমাদের আশেপাশে সমাজে তো এগুলোই হচ্ছে। প্রেম করব তাতেও মানুষের সমস্যা। তাহলে যা হচ্ছে আশেপাশে তাই হোক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভালোবাসাটা কেন সমস্যা হবে? অবশ্য এটা মহিলা বলেই হয়। ছেলেরা করলে আমরা তাঁদের বলি, ‘হ্যাভিং অ্যা ওয়াইল্ড লাইফ।’ ভীষণ দারুণ একটা জীবন।

আর মেয়েরা করলে তাঁদের বেশ্যা বলে। মেয়েরা ৬টা প্রেম করলে বেশ্যা। ছেলেরা ৬টা প্রেম করলে লোকে বলে, ‘ভাই এলেম আছে’। এই সমাজে আমরা বাস করছি।’

নায়িকার কথায়, ‘মানুষে যে ভাবে তেড়ে এল। কারণ ৬ টা সম্পর্ক মানে বিশাল একটা ভুল করে ফেলেছি আমি, একটা হওয়া উচিত ছিল। আমরা সবাই সাধু। আমার একটা সম্পর্ক হওয়া উচিত ছিল।

জন্মে যাঁর সঙ্গে প্রেম, তাঁর সঙ্গেই বিয়ে হওয়া উচিত ছিল। তাঁর সঙ্গেই বাকি জীবনটা বাঁচা উচিত ছিল। আমি করতে পারিনি, আমার তো একটা বড় ভুল।’

তারপর নিজের খানিক প্রশংসা করে স্বস্তিকা বলেন, ‘আমাকে যে রকম দেখতে, আমার যে রকম চেহারা, আমার যে রকম ব্যক্তিত্ব তাতে আমি ক্যাওড়াতলার স্টপেজ কালীঘাট, তার আগের স্টপ পর্যন্ত আমি প্রেম করতে চাই।

প্রচুর মানুষকে ভালোবাসতে চাই। অনেক ভালোবাসা দেওয়ার আছে, আমি তা দিতে চাই। লিফলেটের মতো বিলি করতে চাই। করে খুবই ফুল-ফিলিং হয়ে আমি মরতে চাই।’

শেয়ার করুন

editor

পরিচয় নিউজের একজন নিয়মিত লেখক ও সাংবাদিক।

এই লেখকের সব লেখা দেখুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *